মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
পাতা

ভাষা ও সংস্কৃতি

 

 

 

ইউনিয়নের মানুষ সাধারনত চট্টগ্রামের আঞ্চলিক ভাষায় কথা বলে,তবে কথ্য ভাষায় অনেকক্ষেত্রে কক্সবাজার কেন্দ্রিক শব্দের ব্যবহার লক্ষ করা যায়। যেমন- বাংলা ভাষায় পরিচিত কারো সাথে দেখা হলে আমরা জানতে চাই, আপনি কেমন আছেন?  এই কথাটি এখানকার মানুষ বলে  এভাবে, ‌''য়নেঁ গম আছন্‌ নে?'' ঐতিহাসিক ভাবে এ অঞ্চলের মানুষের সাথে বর্তমান মায়ানমার পুর্বে যাকে আরাকান নামে অভিহিত করা হতো তাদের সাথে ব্যাপক গমনাগমনের সর্ম্পক ছিল যা এখনও সীমিত আকারে হলেও অটুট রয়েছে। এ কারণে আরকানের ভাষার কিছু কিছু উপাদান  কক্সবাজারের কথ্য ভাষায় মিশ্রিত হয়ে গেছে। যেমন.....

আঞ্চলিক --------------------পরিভাষা

এ্যাঁডাম ----------------------সামর্থ্য।

মাইল্যাপীড়া----------------- ম্যালেরিয়া রোগ।

ঝোলাপীড়া------------------- পেঠের অসুখ।

ল্যাডগ্যঁই--------------------শুয়ে পড়ো।

ল্যাডা -----------------------ক্ষীণকায়।

আথিক্যা--------------------- হঠাৎ।

ঘুইট্ট্যা---------------------- গাছের ঘোড়ালী বিশেষ।

যা গই-----------------------চলে যাও।

কুইজ্জ্যা ---------------------শুকনা খড়ের স্তপ।

অঁনে----------------------- আপনি।

থিঅ্যা--------------------- দাঁড়াও।

 

চর্তুদিখে সবুজ পাহাড় বেষ্ঠিত সমতলভুমির ইউনিয়ন হওয়ায় অত্র ইউনিয়নের সংস্কৃতি মিশ্র প্রকৃতির। মুসলিম, হিন্দু, বৌদ্ধ, খৃষ্টান ছাড়াও নানা ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর জনগণ (মার্মা, ত্রিপুরা, রাখাইন, মুরুং ইত্যাদি) বসবাস করায় এ ইউনিয়নের সংস্কৃতিতে এক অভূতপুর্ব সমন্বয়লক্ষ্য করা যায়। আঞ্চলিক হঁলা, গীত, উল্টা গীত, বিলাপ, শোলক সংগীত এবংনৃত্যকলা এ অঞ্চলতো বটেই, বৃহত্তর চট্টগ্রামের মানুষের কাছেও ব্যাপকভাবেসমাদৃত। সবুজ পাহাড় ঘেষা এবং চর্তুদিখে নদী ও খাল গিরে থাকায় সমতলভুমির এ অঞ্চলের মানুষ প্রাচীনকালহতেই নানা ধরণের প্রাকৃতিক দুর্যোগ এবং পাহাড়ী ঢলের মাধ্যমে সৃষ্ঠ বন্যার সাথে সংগ্রাম করে টিকে রয়েছে যহাস্থানীয সংস্কৃতি চর্চার মাধ্যম ও উপস্থাপনায় সংগ্রামের সেই চিত্র ফুটেওঠে।